What is Hosting (হোস্টিং কি ?)

What is Hosting (হোস্টিং কি ?)

হোস্টিং কি (What Is Hosting) ?
বেশির ভাগ লোকজন ডোমেইন এবং হোস্টিং সম্পর্কে তেমন কিছু যানে না তবে নাম শুনেছে। ডোমেইন কি সে ব্যাপারে আমি  এই পোষ্টে বিষদ আলোচনা করেছি এখানে ক্লিক করে পড়ার অনুরোধ রইল। সহজ ভাবে ডোমেইন হচ্ছে একটা ওয়েবসাইটের নাম যেমন: Google.com এটাই ডোমেইন নেম। একটি ডোমেইন নেম এর জন্য একটি হোস্টিং কিনতে হবে এটা বাধ্যতামূলক। হোস্টিং ছাড়া কখনই কোনভাবে ডোমেইন এর কন্টেন্ট দেখা সম্ভব না। বেপারটা হাস্যকর হোস্টিং ছাড়া কন্টেন্ট আসবেই বা কিভাবে? হুম আমরা যখন কোন ওয়েব সাইট খুলি তখন দেখতে পাই অনেক লেখা, ভিডিও, অডিও, ছবি সাধারনত এর বাইরে আর কিছু দেখা যায় না। তাহলে এই ছবি, অডিও বা ভিডিও কোথা থেকে আসছে? কখনও নিজেকে প্রশ্ন করেছেন? উত্তর হচ্ছে এগুলো সব ঐ ডোমেইন এর হোস্টিং এ সেইভ করা আছে এবং আপনি ইন্টারনেট এ ওয়েব সাইটটি ব্রাউজ করার পর দেখেত পাচ্ছেন। একটা ডোমেইন এ হোস্টিং না থাকলে ঠিক নিছের ছবির মত দেখাবে।

কারো ব্যক্তিগত মতামত, অভিরুচি সহজ ভাষায় এবং পৃথিবীর সকলের কাছে খুব সহজে পৌছে দেয়ার মাধ্যম ওয়েবসাইট। আপনার আজেকে বিয়ে! সেলফি তুলে ফেইসবুকে দিলেন হয়ে গেল। এগুলো সামাজিক ওয়েবসাইটের কল্যানে করতে পারছেন। কিন্তু বাস্তবপক্ষে উন্নত দেশে যারা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষনা করে তারা তাদেঁর থিসিস গুলো ওয়েবসাইটে দিয়ে রাখে যাতে অনেকে পড়ে কাজে লাগাতে পারে। এক কথায় ওয়েবসাইট হলো আপনার সকল তথ্য অন্যর সামনে তুলে ধরা। হোক সেটা কোম্পানি, সংস্থা বা ব্যাক্তিগত। আর ওয়েবসাইটের বিভিন্ন এই তথ্য গুলোকে বলে কন্টেন্ট। কন্টেন্ট গুলো লেখা, ছবি, অডিও বা ভিডিও এই ধরনের হতে পারে। এই কন্টেন্ট গুলো জমা রাখার জন্য আপনার হোস্টিং এর প্রয়োজন।

আপনার ওয়েবসাইটটি যদি তুলনা করা হয় আপনার ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ এর সাথে, তাহলে আপনার মনিটর হচ্ছে ডোমেইন যেটা আপনি দেখতে পাচ্ছেন। ভিতরে যে হার্ডডিক্স আছে সেটা হচ্ছে আপনার হোস্টিং, কারণ আপনি যা দেখতে পাচ্ছেন হোস্টিং এ সব ডাটা মজুত আছে। বেপারটা কিন্তু সত্যিই এমন ভাবে আছে। আপনি যখন কোন কোম্পানি থেকে হোস্টিং কিনবেন মনে মনে চিন্তা করবেন আপনার কম্পিউটার এর মত একটি হার্ডডিস্ক আপনার ডোমেইনটির জন্য স্থাপন করা আছে। যে কেউ ইচ্ছে করলেই লিনাক্স বা উইন্ডোজের সেটআপ কিনে নিজেই নিজের ডোমেইন এর জন্য হোস্টিং এর ব্যবস্থা করতে পারে। বেপারটা বলা যেমন সহজ করা তেমন সহজ নয়। তাই ১৫০০ টাকার হোস্টিং এর জন্য কেউ এই রিক্স নিবে না।

যা বললাম তা পড়ে হতাশ হলে দেশিয় সাইট গুলো যেভাবে উদাহরণ দিয়েছে সেভাবে বলি।

আপনার একটি ঘর আছে
ঘর এর জায়গার পরিমান ১ একর
ঘরটির একটা ঠিকানা আছে
ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে বলতে গলে আপনার ঘর আপনার সাইটের কনটেন্ট
ঘর যে জমিতে আছে সেটাই আপনার ওয়েব সাইটের হোস্টিং
ঘরটির ঠিকানা হল ওয়েব সাইটের ডোমেইন
দি এন হোস্ট তেমন একটি হোস্টিং কোম্পানি। আমাদের অনেক গুলো হোস্টিং প্যাকেজ আছে। আপনার যে প্যাকেজটি ভালো লাগে আপনি সেটি কিনতে পারেন।

আমাদের হোস্টিং প্যাকেজ গুলো যথাক্রমে Shared Hosting, Reseller Hosting, Cloud,VPS ইত্যাদি নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল

শেয়ারড হোস্টিং (Shared Hosting):
আমাদের দেশে শতকরা ৯৫% লোক শেয়ার্ড হোস্টিং ব্যবহার করছে। আর এই হোস্টিং সবচেয়ে জনপ্রিয় হওয়ার কারন খরচ কম, অাপনার যতটুকু হোস্টিং দরকার ঠিক ততটুকুই নিতে পারেবন। আমাদের Home Page এবং Regular Hosting প্যাকেজে যা দেখবেন সবই শেয়ারড হোস্টিং। এই প্যাকেজ গুলোতে ব্যান্ডওয়াইডথ এবং ডোমেইন এর সিমাবদ্ধতা আছে। তবে বাকি আর সব কিছু আনলিমিটেড পাবেন।

রিসেলার ওয়েব হোস্টিং (Reseller web hosting):
আমাদের থেকে হোস্টিং কিনে যারা মার্কেটে সেল করে সেই হোস্টিং গুলোই রিসেলার হোস্টিং। রিসেলার হোস্টিং শেয়ার্ড হোস্টিং এর মতই। অনেক ডেভেলপার আছেন যাদের অল্প সংখ্যক কিছু নিজস্ব ক্লায়িন্ট আছেন যাদের ডোমেইন এবং হোস্টিং সে নিজেই প্রোভাইড করে তারাই মূলত এই রিসেলার প্যাকেজ কিনে নেয়। এভাবে একজন রিসেলার আমাদের থেকে হোস্টিং কিনে নিজের মত প্যাকেজ তৈরি করে বিক্রি করে থাকনে। আমাদের অনেক রিসেলার রয়েছেন যারা এই প্রক্রিয়ায় ভালো টাকা আয় করছেন।

ক্লাউড হোস্টিং কি (Cloud Hosting):
ক্লাউড এর বাংলা অর্থ হচ্ছে মেঘ। তাহলে কি এটা মেঘ হোস্টিং? বেপারটা তা নয়! ক্লাউড হোস্টিং হচ্ছে একই ডাটা বিভিন্ন সাভারে রাখা আছে আপনার খুব কাছের সার্ভার থেকে আপনাকে ডাটা সরবরাহ করা হবে। আমরা সাধারনত কম্পিউটারে একটা হার্ডডিস্ক ব্যবহার করি। হার্ডডিস্ক নষ্ট হলে কম্পিউটার বন্ধ। ঠিক ঐভাবে আমরা শেয়ার্ড হোস্টিং কিনলে একটি সার্ভারে আমাদের ডাটা গুলো থাকে। কোন কারণে সার্ভার ডাউন হলে আমাদের সাইট দেখাবে না। কিন্তু ক্লাউড সার্ভার বিভিন্ন জায়গায় অবস্থিত হওয়ার কারনে সাইট ডাউন হওয়ার সম্ভাবনা নাই বা কম। ক্লাউড হেস্টিং মূলত একাধিক সার্ভার ব্যবহার করার সুবিধা দেয়।

ধরুন আমাদের মেইন সার্ভার আমেরিকার মিশিগান শহরে এবং আরেকটা অফিস হচ্ছে চীনের বেইজিংয়ে ও অন্যটা হচ্ছে সিঙ্গাপুর। কোন কারণে মিশিগান এর সার্ভার ডাউন হলেও আমাদের নিকটবর্তী বেইজিংয় বা সিঙ্গাপুর থেকে ডাটা সরবরাহ করবে। বিষয়টা এমন যে যেখানে মেঘ সেখানেই বৃষ্টি। কাছাকাছি সার্ভার হলে সাইট এর লোডিং স্পিড বেশি থাকে, ডাউনলোড স্পিড বেশি পাওয়া যায়। ক্লাউড হোস্টিং এর ফলে ওয়েব সাইট কোন একটি সার্ভারের মধ্যে সিমাবধ্য থাকেনা ফলে ১০০% আপটাইম নিশ্চিত করা যায়। তবে ক্লাউড হোস্টিং এর একটি বড় অসুবিধা হল, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি বেশ ব্যায়বহুল।

ভিপিএস হোস্টিং (VPS Hosting):
ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার (ভিপিএস) নামে পরিচিত। ভিপিএস হচ্ছে শেয়ার্ড হোস্টিং এর মতো। একটি সার্ভারে একাধিক ওয়েবসাইট সংরক্ষন করা যায়। এবং এটার সুবিধা হচ্ছে এটাতে ডেডিকেটেড সারভারের মতো সিপিইউ, মেমরী আলাদা করে ভাগ করা যায়। ফলে ঐ সার্ভারে থাকা অন্য কোন সাইট আপনার জন্য সংরক্ষিত রিসোর্স ব্যবহার করতে পারবে না। আবার একাধিক সারভারেও আপনি ভাগ ভাগ করে সাইটের বিভিন্ন অংশ রাখতে পারবেন। তাহলে বুঝতেই পারছেন এটা আপনাকে বাড়তি টাকা খরচ থেকে বাচিয়ে দিবে।

হোস্টিং কেনার পূর্বে জেনে নিন:
একটা জামা কিনতে গেলে যেমন কত গুলো বিষয় জেনে শুনে কিনতে হয়। ঠিক তেমনি হোস্টিং এর বেপারটাও। তার উপর যেহেতু আপনি নতুন এবং কিছুই জানেন না। বা জানলেও আমাদের নিচের স্টেপ গুলো ফলো করুন এবং আপনার মন মত হোস্টিং কিনুন-

১. বাজেট:
আপনার ব্যাক্তিগত, ব্যবসায়িক বা কি জন্য হোস্টিং প্রয়োজন সেটার উপর নির্ভর করবে আপনার কোন হোস্টিং প্যাকেজটি প্রয়োজন। ভালো মানের হোস্টিং এবং কম টাকার মধ্যে পেতে হলে আপনাকে কয়েকটি সাইট ভিজিট করে দেখতে হবে। সচরাচর টপ লেভেল ডোমেইন এর দাম আন্তর্জাতিক ভাবে ৯৫০-১২০০ টাকা হয়ে থাকে। এর কমে কেউ আপনাকে অফার করলে কথা বাতরা বলে নিবেন কারণ প্রথম বছর আপনাকে ৫০০ টাকায় ডোমেইন দিয়ে পরের বছর ২০০০ টাকা দাবি করবে। আর ডোমেইন কন্ট্রোলার যদি আপনার কাছে না থাকে তাহলে আপনি নিরুপায় হয়ে ২০০০ টাকাতেই রিনিউ করতে হবে। তেমন হোস্টিং এর ক্ষেত্রে কম টাকায় বাজারে অনেকেই হোস্টিং প্রোভাইড করে যা আপনার কাছে খুব লোভনীয় মনে হবে। একটা কাথ মনে রাখবেন সস্তার তিন অবস্থা। মোটামুটি কিছু সাইট ঘুরে আপনি একটা বেপার বুঝবেন যে আসলে আপনার ১জিবি হোস্টিং এর জন্য কত টাকা বাজেট করতে হবে।

২. ডিস্ক স্পেস:
আনলিমিটেড ডিস্ক স্পেস নামে একটা কথা প্রচলিত আছে আমাদের মাঝে। এটা একটা মার্কেটিং ট্রিকস। প্রকৃতপক্ষে আনলিমিটেড স্পেস বলে কিছু নেই। বাজারে আনলিমিটেড হার্ডডিস্ক পাওয়া যায় না। একটা সার্ভার বলতে বুঝবেন একটা পিসি। সুতরাং আনলিমিটেড স্পেসের ফাঁদে পা দিবেন না।

আনলিমিটেড যেহেতু আমাদের চিন্তার মধ্যে পড়ে না। তাই আমরা একটা নিদির্ষ্ট পরিমান স্পেস কিনে নিব। আমি মনে করি ব্যক্তিগত ব্লগ, প্রোটপলিও সাইট, কোম্পানি পরিচিতি ওয়েব সাইট অর্থাৎ যে সকল সাইটে ছবি, ভিডিও বেশি হবে না। ঐ সকল সাইটে শুরুতে ১জিবি হোস্টিং নিয়ে শুরু করা ভালো। হোস্টিং কেনার পূর্বে অভিঙ্গ কারো সাথে হোস্টিং এর বেপারে আলোচনা করে নিন। অযথা টাকা নষ্ট করার মানে হয় না। আপনার দরকার ৩জিবি হোস্টিং আপনি কিনে রেখেছেন ২০ জিবি। বছর বছর রিনিউ করে টাকা দিবেন। কিন্তু ব্যবহার করবেন শুধু ২ জিবি হোস্টিং তাতে আপনার ১৮ জিবির টাকা প্রতি বছর শুধু শুধু খরছ হবে। ১জিবি দিয়ে শুরু করলে পরে যদি আপনার বেশি হোস্টিং এর প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে আপগ্রেড করে নিবেন।

৩. ব্যান্ডউইথ
আপনার সাইটের কন্টেন্ট যত বেশি হবে ব্যান্ডউইথ তত বেশি লাগবে। ভিজিটর যখন আপনার সাইট ভিজিট করতে আসবে, তখন পেজ, ছবি, গান, ভিডিও ওয়েব সাইটটির পেজে যা কিছু আছে সবগুলোই ভিজিটরের কম্পিউটারে ডাউনলোড হয়।

৪. আপটাইম/SLA গ্যারান্টি:
আপনি কোন সাইট ভিজিট করার জন্য গেলে যখন দেখবেন সাইট লোড হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে আপনি দ্বিতীয়বার ঐ সাইটে ভিজিট করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন। তাই একটা সাইটে আপটাইম বিষয়টি খুবই জরুরি। কারন সার্ভার সচল না থাকলে সাইট দেখা যাবে না।

Domain (ডোমেইন) কেনার আগে যে বিষয় গুলো জানা জরুরী

Domain (ডোমেইন) কেনার আগে যে বিষয় গুলো জানা জরুরী

প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগত কারনে ওয়েব সাইটের প্রয়োজন হয়। না বুঝে Domain ক্রয় করার ফলে আপনি পরর্বতি সময়ে আপনার প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করতে পারেন না ফলে অর্থও সময় দুই নষ্ট হয়।তাই Domain ক্রয় করার আগে ভালোভাবে জেনে নিবেন ।
এবার জেনে নিন নিজস্ব বা টাকার বিনিময়ে ডোমেইন হোষ্টিং সংগ্রহের পূর্বে অবশ্যই অনুসরনীয় দশটি সাবধানতা।

১. ডোমেইন হচ্ছে আপনার সাইটের পরিচয় অতএব সবদিক ভেবে চিন্তে সুন্দর একটি নাম সিলেক্ট করুন। এসইও নির্ভর কিছু করতে চাইলে কিওয়ার্ডকে গুরুত্ব দিয়ে নাম বাছাই করুন।

২. আপনি যে নামটি বাছাই করেছেন সেটি ফাঁকা আছে কিনা এখান থেকে দেখে নিন। কেননা একটি ডোমেইন নেইম সমগ্র বিশ্বে একজনই নিতে পারবে।

৩. আপনি যে প্রতিষ্ঠান থেকে ডোমেইনটি কিনবেন তাদের সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিন। কেননা ডোমেইন কিনে প্রতারিত হয়েছেন এমন ঘটনা এখন আর বিরল নয়।

৪. ডোমেইন এর দাম একটা চিন্তার বিষয়। খুব কম হলেও যেমন সন্দেহপূর্ন তেমনি অনেক চড়া দামে সাধারন ডোমেইন কেনাটাও এক ধরনের বোকামি। বর্তমানে ডোমেইনের চলমান মূল্য হচ্ছে ১০-১২ ডলার বা বাংলাদেশী ৯০০-১২০০ টাকা।

৫. ডোমেইন কেনার সময় রেজিষ্ট্রেশন যেন আপনার নাম, ঠিকানা দিয়ে হয়, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখুন।

৬. যাদের কাছ থেকে ডোমেইন নিলেন তাদের থেকে একটি ক্যাশমেমো সরাসরি কিংবা মেইলে নিয়ে নিন। মেইলে নিলে মেইলটি অবশ্যই সেইভ রাখুন। (এটি নিলে উপকার আছে, অথবা না নিলেও তেমন ক্ষতি নেই)

৭. ডোমেইন হোষ্টিং কিনলে আপনাকে হয়তো শুধুমাত্র হোষ্টিং এর সিপ্যানেল দেয়া হবে অথচ আপনি পাবেন ডোমেইন এবং হোষ্টিং এর জন্য আলাদা আলাদা দুটি সিপ্যানেল।

৮. যার কাছ থেকে ডোমেইন নিবেন আগে জেনে নিন সে আপনাকে ডোমেইনের ফুল কন্টোল দিবে কিনা? যদি না দেয় তাহলে তার কাছ থেকে ডোমেইন নিবেন না।

৯. ডোমেইন সিপ্যানেল ছাড়া ডোমেইন ক্রয় করা এক ধরনের বোকামি। ধরুন, আপনি যার কাছ থেকে ডোমেইন কিনলেন কিছুদিন পরে সে ব্যবসা বন্ধ করে দিল বা তার সাথে আপনার কোন কিছু নিয়ে দ্বন্দ হল এখন আপনি কিভাবে আপনার সাইটটি সেইভ করবেন। ডোমেইন সিপ্যানেল ছাড়া কেউই আপনাকে সাহায্য পাবেন না।

১০. ভেরিফিকেশন সিষ্টেম থাকলে অবশ্যই ডোমেইন কেনার ১৫ দিনের মধ্যে মেইলের মাধ্যমে ভেরিফাই করে নিন। এরপর যদি সম্ভব হয় ডোমেইন এর প্রাইভেসি প্রোটেকশন এনাবল করে রাখুন। (যেটা বর্তমানে অধিকাংশ কোম্পানি 3-15 ডলার পর্যন্ত চার্জ করে থাকে, কিন্তু আমরা বর্তমানে সাভিসটি ৭ ডলার বা ৫৬0 টাকায় দিচ্ছি)

১১. ডোমেইন ও হোষ্টিং এর সিপ্যানেলে লগইন করে দেখুন আপনাকে যা যা দেওয়ার কথা ছিল সব ঠিকমত পেয়েছেন কিনা।

১২. ডোমেইন সহজে মনে রাখা যায়, এমন হতে হবে

১৩. ডোমেইনকে .com প্রাধান্য দেয়া ভালো।

১৪.ডোমেইন যথা সাধ্য ছোট রাখার চেষ্টা করতে হবে।

১৫. কোনো ট্রেডমার্ক ওয়েবসাইটের নামের সাথে মিলে না যায় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেমনঃ facebookbd, googleinfo, applebd ইত্যাদি ।

১৬. ডোমেইন নেম কেমন হবে: মানুষ ডোমেইন মানেই ডট কমকে মনে করে থাকে। তাই সব সময় ডট কমকেই প্রাধান্য দিতে হবে।
সহজে মনে রাখা যায়, সহজে বানান করা যায়, শ্রুতিমধুর হয়, উদ্ভদ কোনো ডোমেইন পছন্দ করে পাঠকে ভড়কে দেবার প্রয়োজন নেই।
ডোমেইন যথা সাধ্য ছোট রাখার চেষ্টা করা।

১৭. ডোমেইন রেজিস্ট্রার পছন্দ করবেন যেভাবে: যেহেতু বাংলাদেশে পেপাল ও ক্রেডিট কার্ড এর সুবিধা নাই, সেহেতু বাংলাদেশি ডোমেইন রেজিস্ট্রার থেকেই কিনাটাই ভালো হবে, আবার সাপোর্টও ভালো পাওয়া যাবে। ডোমেইন কেনার আগে কয়েকটা রেজিস্ট্রারের তালিকা তৈরি করুন। তারপর তাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
**** সবাইকে জিজ্ঞাসা করুন ডোমেইনের ফুল কন্ট্রোল প্রদান করে কি না। ফুল কন্ট্রোল ছাড়া ডোমেইন কিনবেন না।
ডোমেইনের দামের ব্যাপারে চিন্তা করুন। অনেকেই ২০০-৪০০ টাকায় ডোমেইন অফার করে থাকে। এদের পরিহার করুন। কারন ICANN ডোমেইন নেম নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান। তাদের ফি ১৮ সেন্ট আর .com এবং .net verisign এর মাধ্যমে রেজি করতে হয়। তাদের প্রাইস ৫০০-৬০০ টাকার উপরে। তাই বাংলাদেশি রিসেলাররা কিভাবে এই টাকায় দিবে চিন্তা করুন। (তবে মাঝে মাঝে বিভিন্ন কোম্পানি অফার করে, তখন নিজে কিছুটা লচ করে হলেও কাষ্টোমার বৃদ্ধির জন্য কম দামে ডোমেইন দেয়, যাই হোক ডোমেইনের ফুল কন্টোল আপনাকে দিতে হবে)
*** কমদামে ডোমেইন কিনে পরে প্রতারিত হওয়ার সম্ভবনা বেশি। যেমন- রিনিউ করার সময় আপনার কাছ থেকে বেশি টাকা দাবী করা হতে পারে। অথবা সাইট জনপ্রিয় হলে ডোমেইনটি হাইজেক করা হতে পারে।

১৮ .ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল: আমাদের দেশে অনেক ডোমেইন প্রভাইডার আছেন যারা আপনাকে ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল দিবেনা কিন্তু ডোমেইন এর ক্ষেত্রে ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি পরবর্তীতে ডোমেইন ট্রান্সফার করতে আপনার ডোমেইন কন্ট্রোল লাগবে। অনেকেই এর প্রয়োজনীয়তা মনে করেনা কিন্তু এর প্রয়োজনীয়তা অনেক।

কোথা থেকে ডোমেইন কিনবেন ?

যেখান থেকেই ডোমেইন কিনেন না কেন কেনার আগে যে বিষয় গুল ভালো ভাবে জেনে নিবেন –

১.ডোমেইন রেজিস্ট্রশন ফি,

২.প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক আবস্থা,

৩.কন্ট্রোল প্যানেল ,

৪. প্রতিষ্ঠানটি ডোমেইন এর পুরো কন্ট্রোল আপনাকে দিবে কিনা?

৫.পরবর্তীতে অন্য কোথাও ট্রান্সফার করে নেয়া যাবে কিনা?

উপরের বিষয় গুলো বিবেচনা করে যে কেউ ভালো কোন প্রতিষ্ঠান থেকে Domain ক্রয় করতে পারেন।

চাইলে আমাদের কাছ থেকেও ডোমেইন ক্রায় করতে পারেন, আমরা ফুল কন্টোল দেই: www.creativeeyebd.com

আমাদের পেমেন্ট ব্যবস্থা: bKash, Rocket, SureCash, Bank, PayPal, Skril.

ডোমেইন এর দর দাম:
প্রোভাইডার ভেদে ডোমেইন এর দাম কম বেশি হয়ে থাকে। .com/.net/.org ডোমেইন গুলো ৯00 টাকা থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে কিনতে পারা যায় ।

কোথায় থেকে কিনবেন:
দেশি বিদেশি অনেক প্রোভাইডারই ডোমেইন বিক্রি করে থাকে ।
http://creativeeyebd.com এখানে .com এর দাম পরবে ৳৯৫০ টাকা ($11.88)/Year

এখানে বর্তমান দাম উল্লেখ করা হয়েছে প্রোভাইডার যেকোনো মুহূর্তে দাম পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে। বিদেশি প্রোভাইডার থেকে ডোমেইন কেনার আগে প্রোভাইডারটি ICANN (আইসিএএনএন) এর আওতাভুক্ত কিনা দেখে কিনবেন । বিশ্বের টপলেভেল ডোমেইন নিয়ন্ত্রক সংস্থা হল ICANN । মূলত ICANN থেকেই বিভিন্ন রেজিস্টার, সাব-রেজিস্টার এর মাধ্যমে ডোমেইন বণ্টন করা হয় । এবং শর্ত ভঙ্গ করলে যেকোনো সময় ডোমেইন বন্ধ করার ক্ষমতা রাখে ।

ডোমেইন (Domain) কি? আসুন জেনে নেয়া যাক ডোমেইনের A টু Z

ডোমেইন (Domain) কি? আসুন জেনে নেয়া যাক ডোমেইনের A টু Z

ডোমেইন কি? (What is Domain):

ডোমেইন/Domain ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ স্থান। আপনি যদি একটি ওয়েবসাইট খুলতে চান তবে ইন্টারনেটে আপনাকে একটি স্থান তথা ডোমেইন কিনতে হবে। আপনার অফিসে যদি কেউ আসতে চায়, তবে তাকে এর ঠিকানা জানতে হবে। ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে এই ঠিকানাটা হচ্ছে তার নাম যাকে বলা হয় ডোমেইন নেম । এই ডোমেইন নেমই আপনার ওয়েবসাইটকে স্বতন্ত্র ভাবে আইডেন্টিফাই করবে।

প্রত্যেক মানুষেরই একটি নাম থাকে এবং এই নামেই তার পরিচয় বহন করে থাকে। ডোমেইন নেম অনেকটা মানুষের নামের মতই। ডোমেইন নেম এবং মানুষের নামের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে মানুষের নাম ইউনিক নয় অর্থাৎ একটি নাম একাধিক মানুষের থাকে কিন্তু ডোমেইন নেম সম্পূর্ণ ইউনিক অর্থাৎ একটি ডোমেইন পৃথিবীতে আর দ্বিতীয়টি নেই।

ডোমেইন হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট এর ঠিকানা। যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী আপনার ওয়েবসাইটটি খুঁজে পাবে। উদাহরন হিসেবে বলা যায় www.creativeeyebd.com একটি ডোমেইন নেম। আবার ডোমেইন নেম এর পরিবর্তে আইপি এড্রেস ব্যবহার করেও www.creativeeyebd.com ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যাবে। কিন্তু আইপি এড্রেস সাধারণত সংখ্যায় থাকে যা মনে রাখা খুবই কঠিন।যেমন 198.54.114.123 একটি IP Address (Internet Protocol Address)। কিন্তু এভাবে তো আর সব ওয়েবসাইট এর IP Address মনে রাখা সম্ভব না। এই সমস্যা দূর করার জন্য মূলত Domain Name এর উদ্ভব।

ডোমেইন এর গঠনঃ

প্রত্যেকটি Domain প্রধানত ২টি অংশ নিয়ে গঠিত। একটি হচ্ছে Domain Name এবং আরেকটি Domain Suffix ।
creativeeyebd.com এই ডোমেইন এর creativeeyebdহচ্ছে Domain Name এবং .com হচ্ছে Domain Suffix ।

আবার http://www.creativeeyebd.com একটি ডোমেইন নেম। এখানে, “http://” অংশটুকু হচ্ছে প্রোটোকল, “www.” হচ্ছে Hostname, “creativeeyebd” হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের নাম/ডোমেইন নেম/2nd Level Domain এবং “.com” অংশটুকু হচ্ছে ডোমেইন এক্সটেনশন । অর্থাৎ একটি সাইটের গঠন হচ্ছে প্রোটোকল//:ওয়েব.ডোমেইন নেম.ডোমেইন এক্সটেনশন।

ডোমেইন নেমের শর্তঃ
Domain Name-এ সর্বনিম্ন ৩ টি অক্ষর থাকতে হবে আর সর্বোচ্চ ৬৩ টি অক্ষর থাকতে পারবে। শুধু ইংরেজি অক্ষর, ০-৯ পর্যন্ত সংখ্যা আর “-” (Hyphen) Domain Name এর ভিতর ব‍্যবহার করা যাবে।

ডোমেইন এর এক্সটেনশনঃ
ওয়েবসাইটের ধরণ অনুযায়ী এক্সটেনশন সিলেক্ট করা হয়। এরকম কিছু এক্সটেনশন দেখে নেই,.

.com বহুল ব্যবহৃত এক্সটেনশন। সাধারণত কোম্পানি ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহার করা হয়।
.net এক বা একাধিক নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত।
.org কোন অর্গানাইজেশন/সংগঠন এর ওয়েবসাইট এর জন্য।
.info ব্যক্তিগত অথবা তথ্যভিক্তিক ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহৃত।
.me সাধারণত পোর্টফলিও ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহার করা হয়।

ডোমেইন এর ধরনঃ
ধরনের দিক থেকে বিবেচনা করলে ডোমেইন বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন TLD, gTLD, SLD, ccTLD ইত্যাদি

♦TLD:
Top Level Domain, ইন্টারনেট ডোমেন নামকরণ সিস্টেমের সর্বোচ্চ স্তরের ডোমেন বিভাগ। এ ধরনের ডোমেইন গুলোই সচারচর আমরা বেশি দেখে থাকি। Top Level Domain বোঝার উপায় হলো এর এক্সট্রেইনশন গুলো .com, .net, .org, .me, .info হয়ে থাকে।

♦SLD:
Second Level Domain, ডোমেন নামের একটি অংশ যা ডট(.) এর আগে আসে। যেমন: creativeeyebd.com, এখানে SLD হচ্ছে creativeeyebd

♦gTLD:
Generic TOP Level Domains, একটি টপ লেভের ডোমেন এর শ্রেণী কিন্তু যেটি কোন দেশের সাথে যুক্ত নয়, যেমন: .com, .net, .org ইত্যাদি।

♦ccTLD:
Country Code Top Level Domain, প্রতিটি দেশের ২টি অক্ষর ডেমেন এর শেষ অংশে যুক্ত হয়ে যে ডোমেইন নামটি গঠন করে তাকেই ccTLD বলে। যেমন বাংলাদেশের .bd পাকিস্তানের .pk আমেরিকার .us ইউনাইটেড কিংডমের .uk ইন্ডিয়ার .in

কিভাবে একটি সঠিক ডোমেইন নেম নির্বাচন করবেনঃ

১। .com এক্সটেইনশনের ডোমেইনকে প্রধান্য দিনঃ
ডোমেইন রেজি: এর জন্য বিভিন্ন ধরনের এক্সটেইনশন আছে। শুরুর দিকে মানুষ .com, .net, .org ডোমেইন নেমের সাথে পরিচিত ছিলো। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে বিভিন্ন এক্সটেইনশন এসেছে। এখন তো চাইলে নীশ স্পেসিফাই করেও এক্সটেইনশন নেয়া যায়। যেমন .media , .biz, .travel .digital ইত্যাদি।

তবে আমি সব সময় সাজেস্ট করি .com ডোমেইন এক্সটেইনশন ব্যবহার করার জন্য। কারন .com এখন পর্যন্ত সব থেকে বহুল ব্যবহৃত ডোমেইন এক্সটেইনশন।

২। সহজে টাইপ করা যায় এবং সহজ নাম পছন্দ করুনঃ
সবসময় এমন একটি ডোমেইন নেম খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন যেটি টাইপ করা সহজ এবং উচ্চারণযোগ্য।

blogger.com
facebook.com
wikipedia.com

উপরের ডোমেইন নাম গুলোতে খেয়াল করুন। সাইটগুলো খুব সহজেই টাইপ করা যায় এবং প্রত্যেকটা সাইটই সহজবোধ্য। তাই ডোমেইন নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে সবসময় অপ্রয়োজনীয় শব্দ এড়িয়ে চলুন। এমন নাম পছন্দ করুন যেটা খুব সহজেই বোঝা যায় এবং মনে রাখাও সহজ।

৩। সহজ এবং ছোট নাম নির্বাচন করুনঃ
ডোমেইন যতোটা সম্ভব ছোট রাখার চেষ্টা করুন। আপনার ডোমেনের নাম জটিল এবং লিখতে সমস্যা হয় এ ধরনের শব্দ পরিহার করা উচিত। এক্ষেত্রে ভিজিটরের ভুল টাইপ বা বানান ভুল করার সম্ভবনা থাকে। তাই ছোট ও সহজে মনে রাখা যায় এমন ডোমেইন নেম নির্বাচন করুন। ব‍্যক্তিগত ভাবে আমি সর্বোচ্চ ৮-১০ অক্ষর ডোমেইন নাম রাখতে পরামর্শ দিব।

৪। কীওয়ার্ড দিয়ে ডোমেন না নেয়াঃ
ওয়বেসাইট তৈরির আগে আমরা সবাই কীওয়ার্ড রিসার্চ করি। এক্ষেত্রে অনেক সময় আমরা মেইন কীওয়ার্ড টি ডোমেইন এর মধ্যে রাখি, যেটিকে বলা হয় EMD (Exact Match Domain) কিন্তু বর্তমানে Google EMD কে আগের মত অতটা গুরুত্ব দেয়না।

৫। অবাঞ্চিত ক্যারেক্টার, হাইপেন ব্যবহার না করাঃ
ডোমেইন নামের মধ্যে কোনো অবাঞ্চিত ক্যারেক্টার কিংবা সিম্বল ব্যবহার করা উচিত নয়। যাতে করে ডোমেইন নেম টাইপ করার সময় ভিজিটরের কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

৬। ডোমেইন নিয়ে বিস্তারিত জেনে নিনঃ
ডোমেইন নাম রেজি: করার আগেই নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার নির্বাচিত নামটি ট্রেডমার্ক, কপিরাইটযুক্ত বা অন্য কোম্পানী দ্বারা ব্যবহৃত হচ্ছে না। কারন তা না হলে আপনাকে বড় ধরনের আইনি জটিলতার সম্মুখীন হতে পারে।

৭। নিজস্ব ব্র্যান্ডিং নিশ্চিত করুনঃ
আপনার ব্র্যান্ড কে সুরক্ষিত করার জন্য আপনার ডোমেইন নেমের বাকি এক্সটেনশানগুলি আগে থেকেই কিনে রাখতে পারেন। আপনি নিশ্চই দেখতে চাইবেন না আপনার .Com ডোমেইনের কম্পিটিটর হিসেবে আপনার একই নামের .net এক্সটেইনশনের একটি ডোমেইন আপনার কম্পিটিটর হিসেবে দাড়িয়ে গেছে। এক্ষেত্রে অন্তত TLD – Top Level Domain গুলো কিনে রাখতে পারেন। এটি অন্যান্যদের থেকে আপনাকে এগিয়ে রাখতে সহায়তা করবে।

৮। দ্রুত ডোমেইন কিনে ফেলাঃ
ডোমেইন নাম খুব দ্রুত বিক্রি হয়। আর আমরা এই ভুল টাই বেশিরভাগ সময় করে থাকি। জেনে রাখবেন সময় ও একটি ভালো ডোমেইন নাম আপনার জন্য অপক্ষা করবে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব আপনার প্রিয় ডোমেইন নামটি রেজি: করে ফেলুন।

আমাদের কাছ থেকে ডোমেইন নিতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন:
Phone: 01813-104906
Email: info@creativeeyebd.com
Web: http://www.creativeeyebd.com